মধ্যপ্রাচ্যে কৃষিতে বাংলাদেশী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের ভূমিকা

ড. ইউসুফ খান | মতামত
অক্টোবর ৫, ২০২৫
মধ্যপ্রাচ্যে কৃষিতে বাংলাদেশী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের ভূমিকা

বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ১৫০টিরও বেশি দেশ থেকে প্রবাসী বাংলাদেশীরা রেমিট্যান্স পাঠান। যদিও এর সিংহভাগ আসে মাত্র কয়েকটি দেশ থেকে। যেমন সৌদি আরব, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইতালি, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, ওমান, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর উল্লেখযোগ্য। তবে উন্নত দেশের তুলনায় মধ্যপ্রাচ্যের প্রবাসীরা বেশি রেমিট্যান্স পাঠান। ওইসব দেশের প্রবাসী ব্যক্তিজীবনে কোনো প্রকার ভোগ-বিলাসিতা না করে শুধু নিজের খরচ বাদ দিয়ে পুরো টাকাটাই পরিবারের জন্য দেশে পাঠিয়ে দেন। সৌদি আরব এখনো প্রবাসী আয়ের প্রধান উৎস। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে মোট যে পরিমাণ রেমিট্যান্স আসে তার প্রায় ৬৫ শতাংশ মধ্যপ্রাচ্য থেকে। মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলোয় প্রচুর বাংলাদেশী শ্রমিক কর্মরত। শুধু সৌদি আরবেই বাংলাদেশীদের সংখ্যা প্রায় ২৪ লাখ। গোটা মধ্যপ্রাচ্য থেকে যে ৬৫ শতাংশ রেমিট্যান্স আসে তার ৪৮ ভাগই সৌদি আরব থেকে।
এ কাঁচা সোনা রেমিট্যান্স আহরণের জন্য মধ্যপ্রাচ্যের আরেকটি উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনাময় দেশ হলো বাহরাইন। পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে বাহরাইন ছোট একটি রাষ্ট্র, লোকসংখ্যা মাত্র ১৬ লাখ। তার মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ প্রবাসী শ্রমিক। শ্রমিকদের মধ্যে আবার ভারতীয়দের সংখ্যাই বেশি। এর পরই রয়েছে বাংলাদেশের অবস্থান। কোনো সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান না থাকলেও জানা গেছে দুই লাখেরও অধিক প্রবাসী বাংলাদেশী নাগরিক বাহরাইনে বিভিন্ন ধরনের কাজে নিয়োজিত। নির্মাণ কাজে নিয়োজিত শ্রমিক-শ্রেণীর সংখ্যাই বেশি। বাহরাইনে প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য কাজের যথেষ্ট সুযোগ-সুবিধা রয়েছে, যা দেশের অনেকের কাছেই অজানা। মধ্যপ্রাচ্যে চাকরির বাজার বলতে তারা শুধু সৌদি আরব, দুবাই ও কুয়েতকেই বেশি বুঝে। সরকারি পর্যায়ে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নের মাধ্যমে বাহরাইনে আরো জনশক্তি রফতানির সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে বলে আমি মনে করি।
ব্যাংকে চাকরির সুবাদে রেমিট্যান্স বিজনেসকে আরো সম্প্রসারণ করার লক্ষ্যে বাহরাইন ভ্রমণের সুযোগ ঘটে আমার। আর তখনই তাদের অর্থনীতি খুব কাছে থেকে দেখি। মরুভূমির দেশ হলেও সেখানে গাছ-পালার অভাব নেই, কৃত্রিমভাবে ট্রান্সপ্ল্যান্টেশন করা হয়েছে। অনেক খরচের বিনিময়ে বিভিন্ন দেশ থেকে বিশেষ করে ভারতের কেরালা থেকে উন্নতমানের মাটি এনে মরুভূমির ওপর বালির স্তরকে ঢেকে দেয়া হয়েছে। আর এ কৃত্রিম মাটির ওপর গড়ে তোলা হয়েছে ঝকঝকে সুন্দর সাজানো শহর। দুই পাশে অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে কৃত্রিম উপায়ে রোপণকৃত সবুজ গাছপালা ও হরেকরকম বাহারি বাগান। বিশেষ করে শত শত খেজুরের গাছ দেখলে বোঝার উপায় নেই এটি মরুভূমির দেশ।

মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের সঙ্গে তুলনামূলকভাবে বাহরাইনের তেল ক্ষেত্র কম। তবে বাহরাইন তার তেল শোধনাগারের জন্য বিখ্যাত। সেখানে রয়েছে বিশাল তেল শোধনাগার। মূলত সৌদি আরব থেকে কম দামে অপরিশোধিত তেল ক্রয় করে এবং তা পরিশোধিত করে বহির্বিশ্বে বিক্রয় করে। এসব রিফাইনারি ইন্ডাস্ট্রি মোটা পাইপের মাধ্যমে সৌদি আরব থেকে প্রতিদিন ক্রুড অয়েল এনে তা রিফাইন করে বিক্রি করে। এ খাত থেকে বাহরাইন প্রচুর অর্থ উপার্জন করে, যা সাধারণত সরকারি কোষাগারে জমা হয় এবং পরবর্তী সময়ে ওই অর্থ রাষ্ট্রীয় কাজে ব্যবহার হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়লে বাহরাইনিদের পোয়াবারো। আর তখন প্রয়োজনীয় সব জিনিসপত্রের পাশাপাশি জনশক্তি আমদানিও বাড়িয়ে দেয়। ওই দেশে দালান-কোঠা, রাস্তাঘাট নির্মাণ থেকে শুরু করে রাস্তা ঝাড়ু দেয়া পর্যন্ত সব ধরনের কাজ তারা প্রবাসী শ্রমিকদের দ্বারা করিয়ে নেয় এবং নিজেরা বেশির ভাগ সময় আমোদ-ফুর্তি নিয়েই ব্যস্ত থাকে।

বাহরাইনের প্রায় সব কর্মক্ষেত্রেই ভারতীয় নাগরিকরা একচেটিয়া বাজার দখল করে আছে। তাদের বেশির ভাগ লোকই যেকোনো বিষয়ে দক্ষ ও শিক্ষিত। এমনকি স্বল্পশিক্ষিত বা অর্ধশিক্ষিত যারা, তারাও ভালো ইংরেজি বলতে পারে। ফলে চাকরির ক্ষেত্রেও তারা সাধারণত অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সুপারভাইজার পদে নিয়োগ পেয়ে থাকেন। আর এসব সুপারভাইজারদের মাধ্যমেই বাহরাইনিরা অন্যান্য দেশ বিশেষ করে বাংলাদেশী শ্রমিকদের কাজ বুঝে নেন।

বাহরাইনে যারা আমির ও শেখ তারা স্বাভাবিকভাবেই অর্থকড়ি ও মর্যাদার দিক থেকে সমাজের সম্মানিত ব্যক্তি। অনেক শেখ বা সম্পদশালী ব্যক্তি আছেন যাদের গ্রামের বাড়িতে শত শত বিঘা জমি পতিত অবস্থায় রয়েছে। প্রবাসী বাংলদেশীদের মধ্যে যাদের চাষবাসের অভিজ্ঞতা রয়েছে তারা সাধারণত এসব পতিত জমির মালিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে মাসিক ভিত্তিতে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থের বিপরীতে তা লিজ নিয়ে বিভিন্ন ধরনের সবজি উৎপাদন করে থাকেন। জমি লিজ নেয়ার সময় যেসব প্রবাসী ওই গার্ডেন বা কৃষি ফার্মের ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব বুঝে নেন তাকে বিভিন্ন জাতের সবজি উৎপাদনে সহযোগিতা করার জন্য তার পছন্দমতো আরো বাংলাদেশী নিয়োগ দেয়া হয়।

বাহরাইনে ছোট-বড় ও মাঝারি বিভিন্ন সাইজের অনেক গার্ডেন বা কৃষি ফার্ম রয়েছে, যা বাংলাদেশীরা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দেখভাল করে থাকেন। দেখা গেছে, একটি মাঝারি সাইজের কৃষিফার্মে ৩০-৪০ বাংলাদেশী একত্রে মিলেমিশে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছেন। বাহরাইনে সারা বছরই বিভিন্ন জাতের সবজি চাষ হয়ে থাকে বিধায় তাদের যেন নিঃশ্বাস ফেলারও সময় নেই। শুধু কাজ আর কাজ। একটাই ভাবনা—দেশে ফেলে আসা পরিবারকে কীভাবে দুটো পয়সা পাঠাবে। জমির মালিককে প্রতি মাসের নির্ধারিত তারিখে অর্থ প্রদানের পরও বর্গাচাষী হিসেবে তাদের হাতে ভালো উপার্জন থাকে। ফলে একজন সাধারণ লোক তার নিজ খরচ মিটিয়েও মাসে কমপক্ষে ৩০-৩৫ হাজার টাকা দেশে পরিবার-পরিজনের কাছে পাঠাতে পারেন। আবার অনেকে আছেন এ কষ্টের উপার্জন থেকে প্রতি মাসে কিছু সঞ্চয় করে যখন একটা বড় ধরনের অ্যামাউন্ট হয়, তখন পাশাপাশি একাধিক কৃষিফার্ম লিজ নিয়ে থাকেন। এ মরুদেশ বাহরাইন আজ অনেকটাই সবুজে পরিণত হয়েছে। এ সবুজ করার পেছনে বাংলাদেশী শ্রমিকদের অবদান উল্লেখযোগ্য। কাজেই একথা নির্দ্বিধায় বলা যায়, প্রতিটি বৃক্ষের মূলে জড়িয়ে রয়েছে বাংলাদেশীদের ঘামের গন্ধ।

বাহরাইনে কর্মরত প্রবাসীদের বেশির ভাগই কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ঢাকার দোহার অঞ্চলের। কনস্ট্রাকশন ছাড়াও তারা বিভিন্ন কাজে নিয়োজিত রয়েছে। তাদের সঙ্গে কথা প্রসঙ্গে জানা গেছে, বর্তমানে অনেক বাংলাদেশী বাহরাইনের বিভিন্ন গার্ডেন বা কৃষিফার্মে কাজ করেন। এমনই একটি গার্ডেন যার নাম ‘বারবার গার্ডেন’।

‘বারবার গার্ডেনটি বাহরাইনের রাজধানী মানামা থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে কান্ট্রিসাইডে অবস্থিত। তবে ওই দেশের গ্রাম আমাদের গ্রামের মতো নয়। প্রতিটি গ্রামেই রয়েছে সব ধরনের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা। এছাড়া প্রায় বাড়িতেই রয়েছে তাদের নিজস্ব ট্রান্সপোর্ট। এখানে আর একটি বিষয় ব্যাখ্যা না করলেই নয়, তা হচ্ছে আমাদের দেশে গার্ডেন বলতে আমরা সাধারণত ফুলের বাগানকেই বুঝি। কিন্তু বাহরাইনের কোনো একটি নির্দিষ্ট এলাকার কিছুসংখ্যক বাড়িঘর ওই এলাকার নাম অনুসারে গার্ডেন হিসেবে অভিহিত হয়ে থাকে। যেমন বারবার নামে এলাকার ৫০টি বাড়ি নিয়ে ‘বারবার গার্ডেন’ নামকরণ করা হয়েছে। একইভাবে নূর নামে একটি এলাকার ৪০টি বাড়ি নিয়ে ‘নূর গার্ডেন’ নামকরণ করা হয়েছে।

এ গার্ডেনগুলো যেসব বাড়িঘর রয়েছে তাতে বেশির ভাগই স্থানীয় বাসিন্দা অর্থাৎ বাহরাইনিরা বসবাস করেন। প্রায় প্রতিটি বাড়ি-সংলগ্ন যেসব পতিত জমি পড়ে থাকে বাড়ির মালিক তাতে বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষের লক্ষ্যে প্রবাসী শ্রমিকদের কাছে লিজ দিয়ে থাকেন। বাংলাদেশী ওয়ার্কার যাদের কৃষিকাজে পূর্ব অভিজ্ঞতা রয়েছে তারাই সাধারণত এ ধরনের কাজে নিয়োজিত থেকে আধুনিক যন্ত্রপাতির সাহায্যে বিভিন্ন ধরনের উন্নতমানের সবজি যেমন ফুলকপি, বাঁধাকপি, বেগুন, আলু, মুলা, করলা, ঝিংগা, শসা, টমেটো ইত্যাদি উৎপাদন করে থাকেন। আমাদের দেশে ঢাকা থেকে কুমিল্লা হয়ে চট্টগ্রাম অথবা বি-বাড়িয়া হয়ে সিলেট যাওয়ার সময় রাস্তার দুই পাশে আমরা যে ধরনের বিভিন্ন জাতের সবজি চাষ দেখে থাকি, সুদূর বাহরাইনের বারবার গার্ডেনেও তার সমাহার দেখেছি। তবে ওই দেশের সবজি আরো উন্নতমানের এবং চাষের পদ্ধতিও বিজ্ঞানভিত্তিক। সব প্রকার প্রয়োজনীয় সুবিধাদিসহ কতটুকু পানি, আলো, ফার্টিলাইজার বা তাপমাত্রা প্রয়োজন হবে তা বৈজ্ঞানিক উপায়ে নির্ণয় করা হয়ে থাকে বিধায় ওই দেশের সবজি দেখার মতো হয়ে থাকে।

মরুভূমির দেশে এ সতেজ-সবুজ-টাটকা সবজির ব্যাপক ফলন দেখে মুগ্ধ হয়েছি। আর আমাদের দেশের লোকেরাই তা সুদূর বাহরাইনের কৃত্রিম মাটিতে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে উৎপাদন করছে। যে লোকগুলো নিজের দেশে অভাবের তাড়নায় পেটপুরে দুবেলা দুমুঠো ভাত খেতে পায়নি এবং অন্যরা যাদেরকে অবজ্ঞার চোখে দেখেছে, সেই লোকগুলোই তাদের বুদ্ধিমত্তা খাটিয়ে দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বিদেশের মাটিতে সোনা ফলাচ্ছে।

বাহরাইনে সুন্দর রাস্তাঘাট ও ট্রান্সপোর্টের সুব্যবস্থা থাকার ফলে এসব সবজি বিভিন্ন মার্কেটে বিক্রি করতেও কোনো অসুবিধা হচ্ছে না এবং বিক্রির টাকা নিয়ে নিরাপদে তারা ঘরে ফিরছে। হোটেল-রেস্টুরেন্টগুলোয় গ্রিন সালাদের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। খাবারের তালিকায় পর্যটকদের কাছে গ্রিন সালাদ একটি আকর্ষণীয় আইটেম। বাহরাইনের সামগ্রিক উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত হয়েছে। তাদের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে বাহরাইনিদের মাথাপিছু গড় আয় দাঁড়িয়েছে ৪৩ হাজার মার্কিন ডলার। অথচ কিছুদিন আগেও তেল ও মাছ ছাড়া তাদের নিজস্ব সম্পদ বলতে তেমন কিছুই ছিল না। বর্তমানে শিল্পায়ন ও নগরায়ণের ফলেই এ অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে। তাদের জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু এর পেছনে রয়েছে বাংলাদেশীসহ অন্যান্য দেশের প্রবাসী শ্রমিকদের কঠোর পরিশ্রম। বাহরাইনের এ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে প্রবাসী শ্রমিকদের অবদান খাটো করে দেখার কোনো সুযোগ নেই।

বাহরাইনে বাংলাদেশের জন্য একটি চমৎকার জনশক্তি রফতানির বাজার গড়ে উঠছে। দেশটিতে প্রাচুর্যের অভাব নেই বিধায় রাস্তাঘাট ও দালান-কোঠা নির্মাণসহ আরো বিভিন্ন ধরনের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিদিন সম্প্রসারণ হচ্ছে। ফলে প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য কর্মসংস্থানের দ্রুত প্রসার ঘটছে। জনশক্তি রফতানির এ সম্ভাবনাময় বাজারের প্রতি আমাদের আরো যত্নবান হওয়া বাঞ্ছনীয়। পৃথিবীর মানচিত্রে সমৃদ্ধশালী দেশগুলোর তালিকায় আরব দেশগুলোর অবস্থান প্রথম সারিতে। আর বাহরাইন আরব দেশগুলোর মধ্যে একটি অন্যতম ধনী। যেহেতু ধনী দেশটিতে ক্রমেই আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার সম্প্রসারিত হচ্ছে এবং দক্ষ শ্রমিকের চাহিদা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে, সেহেতু বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান বেকার সমস্যার প্রতি দৃষ্টি রেখে শিক্ষিত, অশিক্ষিত ও স্বল্পশিক্ষিত বেকারদের যথাযথ কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় জনশক্তি রফতানির সুবন্দোবস্ত করতে পারলে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশী শ্রমিকদের চাহিদা যেমন বাড়বে তেমনি তাদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়াতে আরো সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

ড. ইউসুফ খান: সাবেক ব্যাংকার ও চেয়ারপারসন, ব্যুরো বাংলাদেশ

  • - বণিকবার্তা থেকে

মতামত'র অন্যান্য খবর

সর্বশেষ